সংবাদ প্রাপ্তির ২৪ ঘন্টার মধ্যে আলোচিত হাসিনা বেগম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল মেট্রোলিটন পুলিশ।
গত ০৩/০২/২০২৫ খ্রিঃ সকালে স্থানীয় লোকজন বন্দর থানাধীন ০৭নং চরকাউয়া ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ড চরকাউয়া সাকিনস্থ খাঁনবাড়ীর পিছনের খালের পূর্বপারে অজ্ঞাতনামা মৃত মহিলার লাশ দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন।
সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিম মৃত হাসিনা বেগম (৪০), স্বামী-মোঃ ওমর আলী, সাং-চরকাউয়া, ০২ নং ওয়ার্ড, থানা-বন্দর, বিএমপি, বরিশালকে শনাক্ত করেন। এ সংক্রান্তে ভিকটিমের ছেলে মোঃ হাসান বাদী হয়ে বন্দর থানায় অজ্ঞাত আসামীর বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে বিএমপি'র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব বেলাল হোসাইন, পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ)/ জনাব মোঃ ছগির হোসেন এর একটি চৌকস টিম ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য তাৎক্ষনিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করেন।
মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিরলস প্রচেষ্টায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও গুপ্তচর নিয়োগের মাধ্যমে বহুল আলোচিত ক্লু-লেস হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১) মোঃ ফিরোজ হাওলাদার(৩৬), পিতা-মোঃ ইউসুফ হাওলাদার, মাতা-মোসাঃ রওশনআরা বেগম, সাং-চরকাউয়া, ০২ নং ওয়ার্ড, খন্দকার বাড়ী, থানা-বন্দর, বিএমপি, বরিশালকে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করেন এবং অভিযুক্তের কাছ থেকে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ০১ টি, গলার স্বর্ণের চেইন ০২ টি, আংটি ০২ টি, কানের দুল এক জোড়া এবং হাতের বালা এক জোড়া উদ্ধার করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত জানায় পাওনা টাকা নিয়ে অভিযুক্তের সাথে ভিকটিমের বাক বিতন্ডা হলে সে ভিকটিমকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে ভিকটিমের মরদেহ গুম করার জন্য খালের পানিতে ফেলে দেয়।
এ সংক্রান্তে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।